উপকূল ঘেষে অগ্রসর হচ্ছে মোরা, বিদ্যুত বিহীন চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম: উপকূল ঘেষে ক্রমান্বয়ে উত্তর দিকে অগ্রসর হচ্ছে ঘূর্ণিঝড় মোরা। মঙ্গলবার দুপুরে সর্বশেষ স্যাটেলাইট ইমেজ বিশ্লেষণ করে এমনটি ধারনা দিয়েছেন সমুদ্র বিজ্ঞানী সাইদুর রহমান চৌধুরী।

মঙ্গলবার ভোর রাত তিনটা থেকে দেশের দক্ষিন পূর্বের সর্বশেষ সীমান্ত এলাকায় প্রচন্ড বাতাস শুরু হয় ঘূর্ণিঝড় মোরার প্রভাবে। ক্রমান্বয়ে তা টেকনাফ, কক্সবাজার, চকোরিয়া , বাশঁখালী, চট্টগ্রাম, সীতাকূন্ড ও সন্দ্বীপের দিকে অগ্রসর হয়েছে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সমুদ্র বিজ্ঞান ইনিস্টিটিউটের সিনিয়র শিক্ষক গবেষক সাইদুর রহমান চৌধুরী বলেন, পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে ঘূর্ণিৃঝড় মোরা ভ’ভাগে না উঠে উপক’লের কাছাকাছি দিয়ে উত্তর দিকে অগ্রসর হচ্ছে। স্যাটেলাইট ইমেজের সাথে বাস্তব পরিস্থিতির মিল খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে।

সম্ভবত ঘূর্ণিঝড়টি সন্দ্বীপের কাছ দিয়ে উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে ফেনী নোয়াখালী পর্যন্ত আঘাত হানতে পারে, উল্লেখ করেন তিনি।

এদিকে, সন্দ্বীপ থেকে আমাদের প্রতিবেদক ওমর ফয়সাল জানিয়েছেন, বেলা বারোটার দিকে সন্দ্বীপের পশ্চিম উপক’লে বেশ বাতাস প্রবাহিত হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেয়া তথ্য অনুযায়ী ঘুর্ণিঝড় মোরার প্রভাবে সর্বোচ্চ ১২০কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হয়েছে।
এই বাতাসের কারণে টেকনাফ উপজেলার সাথে কক্সবাজারের সড়ক যোগাযোগ কিছু সময়ের জন্য বিচ্ছিন্ন ছিলো। একই সাথে কক্সবাজার ও চট্টগ্রামসহ ব্যাপক এলাকায় বিদ্যুত সংযোগ বিছ্চিন্ন করে দেয়া হয়।

বিদ্যূতের চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী প্রদিপ কুমার দাস জানিয়েছেন, চট্টগ্রামের উপক’লীয় এলাকার কমপক্ষে ৮০ শতাংশ অংশে বিদ্যুত সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে। বেশ কিছু এলাকায় লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেসব মেরামতের জন্য কয়েকটি টিম মাঠে কাজ করছে।

এসএন।