ঘূর্ণিঝড়ে সন্দ্বীপের চার ইউনিয়নে বেশি ক্ষয় ক্ষতির আশংকা

ওমর ফয়সাল, সন্দ্বীপ থেকে : ঘূর্ণিঝড় মোরা আঘাত হানলে সন্দ্বীপের দক্ষিন- পশ্চিমাঞ্চলের চার ইউনিয়নে ক্ষয়ক্ষতি বেশি হওয়ার আশংকা করছে স্থানীয় প্রশাসন। ইউনিয়নগুলো হচ্ছে মাইটভাঙ্গা, সারিকাইত, রহমতপুর ও আজিমপুর।

এই ইউনিয়নগুলোতে বেড়ী বাধ না থাকায় ক্ষয়ক্ষতি বেশি হতে পারে বলে জানিয়েছেন সন্দ্বীপের উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা গোলাম জাকারিয়া।

তিনি বলেন, সেখানে অনেক এলাকায় বেড়ী বাঁধ নেই, অতিরিক্ত জোয়ার হলে বাড়ী ঘরে পানি ডুকে যাবে, জোয়ারের পানিতে ক্ষয়ক্ষতি বেশি হতে পারে।

গোলাম জাকারিয়া বলেন, সন্দ্বীপে সব মিলিয়ে ২’শর কাছাকাছি সাইক্লোন সেল্টার আছে, ১২৯টি প্রাইমারী স্কুল এবং ৩৫টির মত হাইস্কুল আছে, প্রয়োজনে স্কুল ভবনগুলোকে শেল্টার হিসেবে ব্যবহারের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে, ঘুর্ণিঝড় মোকাবেলা করার জেন্য রেডক্রিসেন্টের দুই হাজার সেচ্চাসেবক প্রস্তুত আছে, যে কোন প্রয়োজনে তারা দুর্গতদের পাশে দাড়াবে।

প্রয়োজনীয় খাদ্য, ঔষধ ও অনান্য ত্রান সামগ্রীও মজুত অাছে, এছাড়াও স্থানীয় ব্যবসায়ীদেরকে শুকনা খাবার মজুত রাখতে বলা হয়েছে, উল্লেখ করেন তিনি।

এদিকে, সোমবার বিকাল থেকে সন্দ্বীপের সমুদ্র তীরবর্তী এলাকাগুলোতে জনসাধারনকে সতর্ক করে মাইকিং করা হচ্ছে।

হ্যারিকেনের তীব্রতা সম্পন্ন ঘুর্ণিঝড় মোরা উপকূলীয় এলাকার দিকে ধেয়ে আসার প্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের দশ নম্বর মহাবিপদ সংকেত জারি করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সোমবার সন্ধ্যা ছয়টায় ঘূর্ণিঝড়টি চট্টগ্রাম থেকে ৩৮৫কিলোমিটার ও কক্সবাজার থেকে ৩০৫কিলোমিটার দক্ষিন, দক্ষিন পশ্চিমে অবস্থান করছিলো। এটি আরো ঘনীভূত হয়ে উত্তর, উত্তর পূর্ব দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

মঙ্গলবার সকাল নাগাদ এটি কক্সবাজার-  চট্টগ্রাম উপকূল অতিক্রম করতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

ওএফ/এসএন।

Recommended For You