কোন্দল কাবু যুক্তরাষ্ট্রে চট্টগ্রাম সমিতি

নিউইয়র্ক অফিস: কঠিন খারাপ সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে চট্টগ্রামবাসীর একমাত্র সংগঠন চিটাগাং এসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা। নিউ ইয়র্কের ব্রুকলিনে সংগঠনের নিজস্ব ভবন দখলে নিয়েছেন কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি আব্দুল হাই জিয়া ও তার অনুসারীরা। অন্যদিকে, সমিতিতে জায়গা না পেয়ে বাইরে সভা করেও বাধার মুখে পড়ছেন সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সেলিমের অনুসারীরা।

একবছর আগে নির্বাচন নিয়ে জাহাঙ্গীর-বিল্লাহ প্যানেলের সাথে বিরোধে জড়িয়েছিলো জিয়া-সেলিমের প্যানেল।
সেসময় তারা এককভাবে নির্বাচনের আয়োজন করে নিজেদের বিজয়ী ঘোষণা করে। অন্যদিকে, জাহাঙ্গীর-বিল্লাহ পরিষদের নেতারা কণ্ঠভোটে নির্বাচন করলেও সেটি গ্রহণযোগ্যতা পায়নি। তখন কিছুদিন, অফিস দখল নিয়ে এই দুই প্যানেলের মারামারি ছিলো চার্চ-ম্যাকডোনাল্ডে আলোচিত ঘটনা। ২০১৭ সালের এপ্রিল মাসের পুরোটাই গেছে তাদের দ্বন্দ্বে। আদালতের সিদ্ধান্তে পরে চিত্র পাল্টেছে।
সংগঠনের দায়িত্ব নেয় জিয়া-সেলিমের প্যানেল।

আব্দুল হাই জিয়া, সভাপতি
মোহাম্মদ সেলিম, সাধারণ সম্পাদক

 

 

 

 

 

 

 

এপ্রিল থেকে ডিসেম্বর। এ অল্প সময়ের মধ্যে নিজেরাই মারামারিতে ব্যস্ত হয়ে গেছেন। ১৭ ডিসেম্বর চুড়ান্ত বিভক্তি দেখা দেয় এ কমিটিতে। ট্রাস্টি বোর্ড আর উপদেষ্টা পরিষদে কারা থাকবেন এ নিয়ে বিভক্তির জন্ম। সমিতির দুই প্রবীণ সদস্য মোহাম্মদ হানিফ পক্ষ নেন সভাপতির আর কাজী আজম পক্ষ নেন সাধারণ সম্পাদকের।

৪ ফেব্রুয়ারি জ্যাকসন হাইটসে সাধারণ সম্পাদক অনুসারীদের সংবাদ সম্মেলনে হামলা করেন সভাপতি জিয়া ও তার অনুগতরা। সেখানে দীর্ঘ সময় তাদের হাতাহাতি আর বিতণ্ডা থামাতে আসে পুলিশ।

এর আগে, কয়েকদিন ধরে বহিষ্কার পাল্টা বহিষ্কারের খেলায় মেতে ওঠেন সমিতির কর্তারা। নিজেদের এ খেলায় সমিতির কার্যালয় দখলে নিয়েছেন সভাপতি জিয়া ও তার অনুসারীরা। সভাপতির দাবি, সাধারণ সম্পাদকের গ্রুপ সমিতির ৪২ হাজারেরও বেশি ডলার আত্মসাত করেছেন। সাধারণ সম্পাদকের বক্তব্য, সভাপতি অযোগ্য লোকদের ট্রাস্ট্রি বোর্ডে ঢোকাতে না পেরে সমিতিকে নিয়ে যে খেলা শুরু করেছিলেন সেটি ঠেকাতে আমরা ব্যবস্থা।নিয়েছি মাত্র। সমিতির অর্থ সমিতির নামে ব্যাংকের একাউন্টে আছে।
সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বক্তব্য দেখতে ক্লিক করুন নিচের লিংকে।

Recommended For You

Leave a Reply